সর্বশেষ

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক

বাংলাদেশ ও ব্রিকস: অনুপস্থিতির কূটনৈতিক হিসাব

২০২৬ সালের ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের অনুপস্থিতি শুধু একটি কূটনৈতিক অনুপস্থিতি নয়; এর ভেতরে রয়েছে একটি নির্দিষ্ট কূটনৈতিক বার্তা, আবার একই সঙ্গে রয়েছে কিছু সম্ভাব্য সুযোগ হারানোর প্রশ্নও।

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০


বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে আশাবাদী দিল্লি : দীনেশ ত্রিবেদী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেছেন, সফরের আয়োজন নিয়ে ভারত আত্মবিশ্বাসী এবং উপযুক্ত সময়ে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জনগণকেন্দ্রিক সম্পর্ক চায় ভারত: দীনেশ

বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ককে আরও জনগণকেন্দ্রিক করার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেছেন, দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ ও সম্পর্ক আরও জোরদার করার মাধ্যমে মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণে কাজ করতে চায় ভারত।

দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাড়ানো নিয়ে ভাবছে দিল্লি : দীনেশ ত্রিবেদী

বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক অতীতের কোনো পর্যায়ে আটকে থাকার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও কীভাবে বাড়ানো যায়, তা নিয়ে ঢাকা ও দিল্লি ভাবছে বলেও জানান তিনি।

পররাষ্ট্রনীতিতে ‘আমি’ নয়, রাষ্ট্রই শেষ কথা

পররাষ্ট্রনীতিতে দৃঢ় অবস্থান নেওয়া এবং আবেগতাড়িত বক্তব্য দেওয়ার মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। একজন রাজনীতিক তাঁর অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে পারেন, একজন কূটনীতিক কঠোর ভাষায় জাতীয় স্বার্থের কথা বলতে পারেন, এমনকি একজন মন্ত্রীও কোনো বিষয়ে আপসহীন থাকতে পারেন। কিন্তু রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে সরকারের আনুষ্ঠানিক অবস্থান স্পষ্ট হওয়ার আগেই কোনো প্রতিমন্ত্রী যদি এমনভাবে বক্তব্য দেন, যাতে সেটিকে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত বলে মনে হয়, তখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে—রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি কি প্রাতিষ্ঠানিকভাবে নির্ধারিত হচ্ছে, নাকি ব্যক্তির বক্তব্যই সেখানে নীতির প্রতিফলন হয়ে উঠছে?

‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির বড় পরীক্ষা ভারত সম্পর্ক

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক নতুন করে স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে জাতীয় স্বার্থ, অর্থনীতি ও কূটনৈতিক ভারসাম্য বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আবেগ নয়, বাস্তবতার ভিত্তিতে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে।